ঢাকা , বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফিরলেন সেচ্ছাসেবক দলে, আরিফের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার। ১১ মাসে কোরআনে হাফেজ ১৩ বছর বয়সী আত্বহার আলী অভী। নবীনগর বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিনবিরোধী মোবাইল কোর্ট, ২৯৫ কেজি জব্দ। আখাউড়ায় সনদবিহীন ‘ডাক্তার’ সেজে রোগী দেখায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা। সড়ক বাজারে পলিথিন বিরোধী অভিযান,৪ দোকানিকে জরিমানা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রয়াত সাংবাদিক আশিকের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত। তারেক রহমানের নির্দেশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী একরামুজ্জামান সুখন। মাদকের চাহিদা হ্রাস ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ। বেগম জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির বাতিঘর : আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূইয়া নির্বাচনে জনগণের আস্থাই শক্তি: কবীর আহমেদ ভূইয়া
নোটিশ :
আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপডেট নিউজ থিমটি ক্রয় করতে আমাদের কল করুন 01732667364। আমাদের আরো নিউজ থিম দেখতে ভিজিট করুন www.themesbazar.com

ফখরে বাঙ্গাল আল্লামা তাজুল ইসলাম: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুসলিম শিক্ষার দিশারী

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বরেণ্য আলেম ও জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার দীর্ঘদিনের মহাপরিচালক আল্লামা তাজুল ইসলাম (১৮৯৬–১৯৬৭) ইসলামী অঙ্গনে “ফখরে বাঙ্গাল” উপাধিতে সর্বাধিক পরিচিত ছিলেন। দেওবন্দি ধারার এই বিশিষ্ট ইসলামি পণ্ডিত, শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ শিরক, বিদআত ও কাদিয়ানিদের বিরুদ্ধে আপোসহীন অবস্থানের জন্য দেশজুড়ে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন।

সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে প্রদান করা হয় সম্মানজনক “ফখরে বাঙ্গাল” উপাধি, যা তাঁর জ্ঞান, প্রভাব ও অবদানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বহন করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসায় তিনি টানা ৪২ বছর মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন এবং এ সময়ে দ্বীনি শিক্ষা বিস্তারে রেখেছেন অনন্য অবদান।

শিক্ষাক্ষেত্রে আল্লামা তাজুল ইসলাম একাধারে শিক্ষক, গবেষক ও লেখক ছিলেন। তিনি ইসলামী শিক্ষার প্রসারে অসাধারণ উদ্যোগ গ্রহণ করেন, নতুন পাঠ্যক্রম প্রবর্তন করেন এবং অসংখ্য শিক্ষার্থীকে দ্বীনি জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করেন। এছাড়া তিনি সমাজকল্যাণমূলক কাজে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন এবং দরিদ্র ও অসহায়দের জন্য অনুদান ও শিক্ষা সহায়তা প্রদান করে গেছেন।

রাজনীতিতে তিনি ইসলামী নীতির ভিত্তিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং দেশব্যাপী ইসলামী নীতি ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাঁর ধর্মীয় শিক্ষা, গবেষণা ও দিকনির্দেশনার কারণে তিনি শুধু ব্রাহ্মণবাড়িয়া নয়, সারাদেশে সমাদৃত ও বিশেষ পরিচিত ছিলেন।

আজও আল্লামা তাজুল ইসলামের জীবন ও কর্ম তরুণ প্রজন্মের জন্য শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

 

ব্রাহ্মণ/বার্তা২৫

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিরলেন সেচ্ছাসেবক দলে, আরিফের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার।

ফখরে বাঙ্গাল আল্লামা তাজুল ইসলাম: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুসলিম শিক্ষার দিশারী

আপডেট সময় ০৩:০২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বরেণ্য আলেম ও জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার দীর্ঘদিনের মহাপরিচালক আল্লামা তাজুল ইসলাম (১৮৯৬–১৯৬৭) ইসলামী অঙ্গনে “ফখরে বাঙ্গাল” উপাধিতে সর্বাধিক পরিচিত ছিলেন। দেওবন্দি ধারার এই বিশিষ্ট ইসলামি পণ্ডিত, শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ শিরক, বিদআত ও কাদিয়ানিদের বিরুদ্ধে আপোসহীন অবস্থানের জন্য দেশজুড়ে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন।

সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে প্রদান করা হয় সম্মানজনক “ফখরে বাঙ্গাল” উপাধি, যা তাঁর জ্ঞান, প্রভাব ও অবদানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বহন করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসায় তিনি টানা ৪২ বছর মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন এবং এ সময়ে দ্বীনি শিক্ষা বিস্তারে রেখেছেন অনন্য অবদান।

শিক্ষাক্ষেত্রে আল্লামা তাজুল ইসলাম একাধারে শিক্ষক, গবেষক ও লেখক ছিলেন। তিনি ইসলামী শিক্ষার প্রসারে অসাধারণ উদ্যোগ গ্রহণ করেন, নতুন পাঠ্যক্রম প্রবর্তন করেন এবং অসংখ্য শিক্ষার্থীকে দ্বীনি জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করেন। এছাড়া তিনি সমাজকল্যাণমূলক কাজে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন এবং দরিদ্র ও অসহায়দের জন্য অনুদান ও শিক্ষা সহায়তা প্রদান করে গেছেন।

রাজনীতিতে তিনি ইসলামী নীতির ভিত্তিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং দেশব্যাপী ইসলামী নীতি ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাঁর ধর্মীয় শিক্ষা, গবেষণা ও দিকনির্দেশনার কারণে তিনি শুধু ব্রাহ্মণবাড়িয়া নয়, সারাদেশে সমাদৃত ও বিশেষ পরিচিত ছিলেন।

আজও আল্লামা তাজুল ইসলামের জীবন ও কর্ম তরুণ প্রজন্মের জন্য শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

 

ব্রাহ্মণ/বার্তা২৫