ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আখাউড়ায় সনদবিহীন ‘ডাক্তার’ সেজে রোগী দেখায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা। সড়ক বাজারে পলিথিন বিরোধী অভিযান,৪ দোকানিকে জরিমানা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রয়াত সাংবাদিক আশিকের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত। তারেক রহমানের নির্দেশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী একরামুজ্জামান সুখন। মাদকের চাহিদা হ্রাস ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ। বেগম জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির বাতিঘর : আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূইয়া নির্বাচনে জনগণের আস্থাই শক্তি: কবীর আহমেদ ভূইয়া কসবায় খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির জানাজা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারের হাজতীর মৃত্যু। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত।
নোটিশ :
আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপডেট নিউজ থিমটি ক্রয় করতে আমাদের কল করুন 01732667364। আমাদের আরো নিউজ থিম দেখতে ভিজিট করুন www.themesbazar.com

মেডিকেল সার্টিফিকেট বাণিজ্য ও চিকিৎসা সেবায় হাসপাতালের মালি।

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মালি সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মেডিকেল সার্টিফিকেট (এমসি) বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতে জরুরি বিভাগে রোগীর ড্রেসিং, সেলাইসহ নানা কাজও করে থাকেন তিনি।

সম্প্রতি আখাউড়া পৌর এলাকার বাসিন্দা হেলাল মিয়া লিখিত অভিযোগে জানান, গত বছরের শেষ দিকে পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় তিনি, তার স্ত্রী ও কন্যা আহত হন। এরপর মামলা দায়েরের জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে গিয়ে তিনি পড়েন ভোগান্তিতে। হেলাল মিয়ার অভিযোগ, আহতদের জখমের তথ্যসহ দ্রুত এমসি দেওয়ার শর্তে সোহেল মিয়া তার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে ১০ হাজার টাকায় রফাদফা হয় এবং এক প্রতিবেশীর সামনে সেই টাকা পরিশোধ করেন হেলাল। কিন্তু সময়মতো সঠিক তথ্যসহ এমসি না দেওয়ায় টাকা ফেরত চান তিনি। এ নিয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও সোহেল মিয়া শুধু আশ্বাস দিয়ে ঘুরিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হিমেল খানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন হেলাল মিয়া।এমন অভিযোগে গত বুধবার তাকে জেলার আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয়।

অভিযোগ তদন্তে জানা যায়, ২০০৬ সালের ২২ জানুয়ারি সোহেল মিয়া আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ‘মালি’ পদে যোগ দেন। তবে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি মালির কাজ না করে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবার কাজ করছেন। তার বিরুদ্ধে আগেও এমসি বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে হেলাল মিয়া বলেন, আমি সঠিক এমসি না পেয়ে তার কাছে টাকা ফেরত চাই। সে শুধু বলছে দিবো দিবো, কিন্তু দিচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত অভিযোগ করেছি, তখন সে আমার বাড়িতে এসে ফেরত দেওয়ার কথা বলেছে।

অভিযুক্ত সোহেল মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কারও কাছ থেকে এমসি দেওয়ার জন্য টাকা নেয়নি। তবে জরুরি বিভাগে আহত রোগীদের ড্রেসিং করার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হিমেল খান বলেন, এমসি নিয়ে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন মো. নোমান বলেন, ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে আমরা একটি তদন্ত টিম গঠন করেছি। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্রাহ্মণ/বার্তা২৫

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আখাউড়ায় সনদবিহীন ‘ডাক্তার’ সেজে রোগী দেখায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

মেডিকেল সার্টিফিকেট বাণিজ্য ও চিকিৎসা সেবায় হাসপাতালের মালি।

আপডেট সময় ০৯:১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মালি সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মেডিকেল সার্টিফিকেট (এমসি) বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতে জরুরি বিভাগে রোগীর ড্রেসিং, সেলাইসহ নানা কাজও করে থাকেন তিনি।

সম্প্রতি আখাউড়া পৌর এলাকার বাসিন্দা হেলাল মিয়া লিখিত অভিযোগে জানান, গত বছরের শেষ দিকে পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় তিনি, তার স্ত্রী ও কন্যা আহত হন। এরপর মামলা দায়েরের জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে গিয়ে তিনি পড়েন ভোগান্তিতে। হেলাল মিয়ার অভিযোগ, আহতদের জখমের তথ্যসহ দ্রুত এমসি দেওয়ার শর্তে সোহেল মিয়া তার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে ১০ হাজার টাকায় রফাদফা হয় এবং এক প্রতিবেশীর সামনে সেই টাকা পরিশোধ করেন হেলাল। কিন্তু সময়মতো সঠিক তথ্যসহ এমসি না দেওয়ায় টাকা ফেরত চান তিনি। এ নিয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও সোহেল মিয়া শুধু আশ্বাস দিয়ে ঘুরিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হিমেল খানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন হেলাল মিয়া।এমন অভিযোগে গত বুধবার তাকে জেলার আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয়।

অভিযোগ তদন্তে জানা যায়, ২০০৬ সালের ২২ জানুয়ারি সোহেল মিয়া আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ‘মালি’ পদে যোগ দেন। তবে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি মালির কাজ না করে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবার কাজ করছেন। তার বিরুদ্ধে আগেও এমসি বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে হেলাল মিয়া বলেন, আমি সঠিক এমসি না পেয়ে তার কাছে টাকা ফেরত চাই। সে শুধু বলছে দিবো দিবো, কিন্তু দিচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত অভিযোগ করেছি, তখন সে আমার বাড়িতে এসে ফেরত দেওয়ার কথা বলেছে।

অভিযুক্ত সোহেল মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কারও কাছ থেকে এমসি দেওয়ার জন্য টাকা নেয়নি। তবে জরুরি বিভাগে আহত রোগীদের ড্রেসিং করার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হিমেল খান বলেন, এমসি নিয়ে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন মো. নোমান বলেন, ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে আমরা একটি তদন্ত টিম গঠন করেছি। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্রাহ্মণ/বার্তা২৫