Advertisement

নবীনগরে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতার উপর প্রশাসনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা ….

Brahmanbariabarta

এই আর্টিকেল টি ৮৭০।

বিশেষ প্রতিনিধি নবীনগর : গতকাল ৩১ জানুয়ারী ৬ষ্ঠ ধাপের ইউপি নির্বাচন চলাকালীন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক উপ—দপ্তর সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক সভাপতি মেধাবী ছাত্রনেতা মাহমুদ আব্দুল্লাহ বিন মুন্সি প্রশাসনের উদ্দেশ্য প্রণোদিত হামলার শিকার হন। কাইতলা দক্ষিন ইউপি ৯ নং ওয়ার্ড , গোয়ালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিকাল ৩ ঘটিকার সময় এই ঘটনা ঘটে ।

স্থানীয় জনগণ , ভোটার , সকল প্রার্থী , এজেন্ট সহ সকলের ভাষ্যমতে ভোট শুরু হওয়ার পর থেকে উক্ত ঘটনা ঘটার আগ পর্যন্ত এই কেন্দ্রে অত্যন্ত সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ চলছিল । কিন্তু ভোটদান শেষ হওয়ার মাত্র ১ ঘন্টা আগে হঠাৎ আগত একজন ম্যাজিস্ট্রেট ঐ নেতাকে ভোটকেন্দ্রের বাহির থেকে ডেকে এনে তার ফোর্সকে লাঠিচার্জের নির্দেশনা প্রদান করে।

তখন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক এই নেতা প্রশাসনকে তার উপর এই অযাচিত হামলার কারণ জানতে চাইলে ম্যাজিস্ট্রেট প্রশাসনের ভয়ভীতি দেখিয়ে , অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে ও হুমকী প্রদান করে তার ফোর্স নিয়ে চলে যায়। তখন প্রশাসনের এমন অমানবিক ও অহেতুক নির্মম হামলায় এলাকাবাসী চরম ক্ষুব্দ হয়ে পড়ে। কিন্তু কেন্দ্রীয় ওই নেতা এলাকাবাসীকে আইন শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে সকলের কাছে আকুল আবেদন করে বলে জানা যায়। পরবর্তীতে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোটগ্রহণ শেষে এই এলাকায় নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো: শওকত আলী বিপুল ভোটে জয়লাভ করে । রাতে ওই নেতার হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।

আজ সকালে আহত ছাত্রনেতার সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি এই ব্যাপারে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন প্রশাসন জনগণের বন্ধু কিন্তু আমার উপর যে হামলা করা হয়েছে তা শত্রুর মত আচরণ করা হয়েছে। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সকলের কাছে এই বিষয়টি যেন সুষ্ঠু তদন্ত ও উপযুক্ত বিচার হয় তার অনুরোধ করছি। এই ব্যাপারে নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান বলেছেন , কোন ধরনের অপ্রতিকর ঘটনা ছাড়া সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন কেন্দ্রে একজন কেন্দ্রীয় নেতার উপর প্রশাসনের এই হামলা কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক অবশ্যই এর বিচার করতে হবে। এই বিষয়ে স্থানীয় লোকজন বলেন, আমাদের এলাকার গর্ব মাহমুদের উপর যে হামলা হয়েছে তা কোন ভাবেই মেনে নিব না । আমরা গ্রামবাসি প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও সহ সব ধরণের কর্মসূচী হাতে নিব। এলাকায় এখন থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। ঘটনা পরবতীর্ সময়ে এই ঘটনার বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তাকে বিষয়টি তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি বলে জানা যায়। খবর নিয়ে জানা যায় , যার নির্দেশে এই হামলা হয় তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সালেক মূহিদ।
.

জীবন চলার পথে প্রায়ই আমাদের সামনে ঘটে যায় বিভিন্ন ধরণের অনাকাংক্ষিত ঘটনা, আমরা চাইলে প্রযুক্তির কল্যানে খুব সহজেই ঘটনাগুলোকে ক্যামেরা বন্দি বা ভিডিও রেকর্ড করে ফেলতে পারি এবং খুব দ্রুত অন্যদের কাছে সেই ঘটনার খবর ছড়িয়ে দিতে পারি।

ভাইরাল২৪.কম এমন একটি ওপেন নিইজ প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি নিজেই কোন খবর বা ভিডিও পোস্ট করতে পারেন, আপনার সেই খবর বা ভিডিওটি হাজার হাজার মানুষ দেখবে, আপনার মাধ্যমে সবাই সেই ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারবে।

আমাদেরকে লেখা বা ভিডিও পাঠাতে "আপনিও হোন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক" পেইজ থেকে নিয়ম-কানুনগুলো ভালভাবে জেনে নিন।

Advertisement

Sorry, no post hare.